মোঃ আলম খান, নেত্রকোনা: নেত্রকোণার মদনে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফলে সাফল্য জনক চিত্র উঠে এসেছে পৌর সদরে অবস্থিত জোবাইদা রহমান মহিলা ডিগ্রী কলেজে। এইচএসসি পরীক্ষায় ফলাফলে পাসে হার ৮৯% শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছেন। আগের বছরও পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা খুব ভাল ফলাফল করে ছিল।
শনিবার প্রকাশিত ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল বিশ্লেষণ করে এ তথ্য জানা গেছে। কলেজ সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর জোবাইদা রহমান মহিলা ডিগ্রী কলেজ থেকে ১০২ শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন। এতে অনুপস্থিত ২ জন জন,মোট পরীক্ষা দেয় ১০০ জন শিক্ষার্থী। তাঁদের মধ্যে ৯১ জন মানবিক ও বিজ্ঞান বিভাগের ৫ জন ব্যবসা ৪ শিক্ষার্থী অংশ নেয়। পাস করে ৮৯ জন শিক্ষার্থী।
২০০২ সালে নেত্রকোণা মদন পৌর সদরের বাড়িভাদেরা গ্রামে প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠিত হয়। তবে প্রতিষ্ঠানের পর থেকেই শিক্ষার্থী লেখা পড়ার মান ভালো রয়েছে বলে কলেজ সূত্রে জানা গেছে।
কলেজটির প্রতিষ্ঠাতা নেত্রকোনা-৪ মদন, মোহনগঞ্জ ও খালিয়াজুড়ি, আসনের সংসদ সদস্য সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর,তিন একর জমির উপর তাঁর মায়ের নামে জোবাইদা রহমান মহিলা ডিগ্রী কলেজ স্থাপন করেন। মদন উপজেলায় ৭ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মোট ১০৬১ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়, এ মধ্যে ৪৬১ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়। জিপিএ-৫ শিক্ষার্থী ০২ জন।
এবার জেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে মোট ১৩ হাজার ৯১১ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৫ হাজার ৮৭৩ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৭২ জন। জেলার গড় পাসের হার ৪৩ দশমিক ৯১ শতাংশ। পর্যালোচনায় দেখা যায় নেত্রকোনা জেলার ফলাফলে শীর্ষে রয়েছে মদন উপজেলার একমাত্র মহিলাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জোবাইদা রহমান মহিলা ডিগ্রী কলেজ।
জোবাইদা রহমান মহিলা ডিগ্রী কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নাসরিন সুলতানা জানান, আমি বিগত ২০২৫ সালে ৯ জুলাই দায়িত্ব নেয়ার পর কলেজে শিক্ষার্থীদের ক্লাসের উপস্থিতি নিয়মিত নিশ্চিত করি। গভানিং বডির সভাপতি পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা মোাতাবেক কাজ করি। যারা সব বিষয়ে পাক নির্বাচনী পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে তাদেরকে চুড়ান্ত পরীক্ষায় দেয়া হয়।আমাদের সকল শিক্ষকের সহযোগিতায় আমরা এ ফলাফল করছি।ভবিষ্যৎ আরো ভালো ফলাফল করব।
জেলা শিক্ষা অফিসার জাহাঙ্গীর কবির আহম্মদ জানান, মদনে জোবাইদা রহমান মহিলা ডিগ্রী কলেজ ভাল ফলাফল করায় আমি খুবই আনন্দিত,তবে জেলা প্রশাসকের সাথে কথা বলো আমরা তাদেরকে পুরস্কৃত করব। আমি আশা করি তাদের ফলাফল দেখে অনান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আগামীতে আরো ভালো করবে।