ময়মনসিংহ ব্যুরো:
ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে পুলিশের হেফাজত থেকে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের এক নেতাকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশের ওপর হামলা, সরকারি কাজে বাধা, আসামি ছিনিয়ে নেওয়া ও সিএনজিচালিত অটোরিকশা ভাঙচুরের অভিযোগে ২৭ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ২৫ থেকে ৩০ জনকে আসামি করে মামলাটি করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার সোহাগী ইউনিয়নের বৈরাটি গ্রামের ওয়াসীম মিয়া (২৬) এবং সরিষা ইউনিয়নের গাংপাড় গ্রামের এমদাদুল হক (৪৫)। শনিবার (২৪ অক্টোবর) তাঁদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে উপজেলার সরিষা ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ের কাছে আরশাদুলের চায়ের দোকানের সামনে এ ঘটনা ঘটে। একাধিক মামলার আসামি ছাত্রলীগ নেতা রিয়াজুল আলম শাহীনকে (৩০) গ্রেপ্তার করে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে থানায় নিয়ে যাচ্ছিলেন রায়েরবাজার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সদস্যরা।
পথে একদল ব্যক্তি পুলিশের গাড়ির গতিরোধ করেন। এ সময় তাঁরা পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলা চালিয়ে মারধর করেন এবং সিএনজিচালিত অটোরিকশাটি ভাঙচুর করে শাহীনকে ছিনিয়ে নিয়ে যান বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
খবর পেয়ে ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অতিরিক্ত পুলিশ সদস্যদের নিয়ে ঘটনাস্থলে যান। পরে অভিযান চালিয়ে ওয়াসীম মিয়া ও এমদাদুল হককে গ্রেপ্তার করা হয়।
ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজ্জাদ রোমন বলেন, পুলিশের ওপর হামলা, সরকারি কাজে বাধা এবং আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় দুজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না বলেও জানান তিনি।
Super Admin